যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও হরমুজ প্রণালিতে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে তিনটি তেলবাহী জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে আন্তর্জাতিক নৌপথের নিরাপত্তা ও জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য সংস্থা (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, সর্বশেষ একটি ট্যাংকার অজ্ঞাত একটি ড্রোনের (ইউএভি) হামলার শিকার হয়েছে। এতে জাহাজটির সামান্য কাঠামোগত ক্ষতি হলেও কোনো হতাহত বা পরিবেশগত ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। জাহাজটি গন্তব্যের উদ্দেশে যাত্রা অব্যাহত রেখেছে। খবর এনডিটিভির।
এর আগে ওমান উপকূলের কাছে আরেকটি ট্যাংকারে হামলার পর আগুন ধরে যায়। অপর একটি জাহাজেও ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে কাঠামোগত ক্ষতি হয়, তবে সেখানেও কেউ হতাহত হয়নি।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি কাতারি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসবাহী জাহাজ আল রেকাইয়াতে এমন হামলাকে আন্তর্জাতিক নৌ চলাচল ও বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তার ওপর ‘অগ্রহণযোগ্য হামলা’ আখ্যা দিয়েছেন। তিনি এ ঘটনার জন্য ইরানকে ‘সম্পূর্ণ আইনগতভাবে দায়ী’ বলে উল্লেখ করেন।
তবে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন দাবি করেছে, জাহাজটি বারবার সতর্কবার্তা উপেক্ষা করার পর হামলার মুখে পড়ে। যদিও হামলার দায় সরাসরি স্বীকার করেনি তেহরান।
গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ১৪ দফা যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলেও ইউকেএমটিও জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা ঝুঁকি এখনো ‘উল্লেখযোগ্য’ পর্যায়ে রয়েছে।
খুলনা গেজেট/এএজে

